দীর্ঘ ৬ মাস বন্ধ থাকার পর বালিয়াটি জমিদার বড়ি আজ খুলে দেয়া হল।

দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস বন্ধ থাকার পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে খুলছে দেশের সবচেয়ে বড় আয়তনের বালিয়াটী জামিদার বাড়ি। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর)  সকাল থেকে এ জমিদার বাড়িতে সকল পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব নাদিরা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে স্বাস্থ্য বিধি মেনে …

বাহারী ভর্তা ভাত খেতে চলে আসুন বালিয়াটি জমিদার বাড়িতে।

বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে বালিয়াটি জমিদার বাড়িতে অনেক ছোট ছোট টিম বেড়াতে আসেন কিন্তু তাদের বড় সমস্যায় পরতে হয় খাবার নিয়ে। কারন বালিয়াটি জমিদার বাড়ির নিকটে ভাল রেষ্টোরেন্ট নেই। মোটামোটি ভাল রেষ্টোরেন্ট আছে মাত্র দুটি যার ফলে দুপুরের খাবার সময় রেষ্টোরেন্টে থাকে কাস্টমারের উপচে পড়া ভীর। অনেক সময় ভীর থাকার করনে ভ্রমন করীগণ মনের মত খাবার খেতে পারেন না বা খাবার পানই না।

বালিয়াটি জমিদার বাড়ির সিংহ দাঁড়

জমিদার বাড়ির সাম্মুখ ভাবে রয়েছে ৪ টি সিংহ দাঁড়। সিংহ গুলো দেখলে মনে হবে যেন জীবন্ত। এই সিংহ গুলোই বলে দেয় তৎকালিন জমিদাররা কতটা প্রভাবশালী ছিলেন।
বালিয়াটির বয়জেষ্ঠ্যদের নিকট থেকে জানা যায় যে বালিয়াটির জমিদাররা ছিলেন অত্যাচারি। জমিদার বাড়ির সাম্মুখ ভাগের রাস্তাদিয়ে কাউকে “জুতা পায়ে দিয়ে যেতে দিতেন না” এমন কি “ ছাতা মাথায় দিয়েও যেতে দিতেন না”। যদি কেউ ভুল করেও এটা অমান্য করতে তাকে দেয়া হত কঠিন সাজা। তখন নি:শ্চয় সিংহ গুলো কে দেখে সাধারন মানুষ খুব ভয় পেত।