দীর্ঘ ৬ মাস বন্ধ থাকার পর বালিয়াটি জমিদার বড়ি আজ খুলে দেয়া হল।

দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস বন্ধ থাকার পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে খুলছে দেশের সবচেয়ে বড় আয়তনের বালিয়াটী জামিদার বাড়ি। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর)  সকাল থেকে এ জমিদার বাড়িতে সকল পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব নাদিরা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে স্বাস্থ্য বিধি মেনে …

বালিয়াটি জমিদার বাড়ির সিংহ দাঁড়

জমিদার বাড়ির সাম্মুখ ভাবে রয়েছে ৪ টি সিংহ দাঁড়। সিংহ গুলো দেখলে মনে হবে যেন জীবন্ত। এই সিংহ গুলোই বলে দেয় তৎকালিন জমিদাররা কতটা প্রভাবশালী ছিলেন।
বালিয়াটির বয়জেষ্ঠ্যদের নিকট থেকে জানা যায় যে বালিয়াটির জমিদাররা ছিলেন অত্যাচারি। জমিদার বাড়ির সাম্মুখ ভাগের রাস্তাদিয়ে কাউকে “জুতা পায়ে দিয়ে যেতে দিতেন না” এমন কি “ ছাতা মাথায় দিয়েও যেতে দিতেন না”। যদি কেউ ভুল করেও এটা অমান্য করতে তাকে দেয়া হত কঠিন সাজা। তখন নি:শ্চয় সিংহ গুলো কে দেখে সাধারন মানুষ খুব ভয় পেত।

প্রত্নতাত্ত্বীক স্থাপনায় স্যুটিং বা চিত্রগ্রহনের আবেদন প্রক্রিয়া এবং শর্তাবলী

প্রত্নতাত্ত্বীক স্থাপনায় স্যুটিং বা চিত্রগ্রহনের অনুমতির জন্য আবেদন প্রক্রিয়া এবং শর্ত্যাবলী

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা বালিয়াটির জমিদার কিশোরীলাল রায় চৌধুরী

বর্তমান ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন নাম জগন্নাথ কলেজ। এটি ঢাকার একটি পুরাতন ও ঐতিহ্যবাহী কলেজ। ১৮৫৮ সালে এটি ঢাকা ব্রাহ্ম স্কুল নামে প্রতিষ্ঠা হয়। ১৮৭২ সালে এর নাম বদলে জগন্নাথ স্কুল করা হয়। বালিয়াটির জমিদার কিশোরীলাল রায় চৌধুরী তার বাবার নামে জগন্নাথ স্কুল নামকরণ করেন। কিশোরীলাল রায় চৌধুরী ছিলেন একজন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী।

বালিয়াটি জমিদার বাড়ীর ইতিহাস

বালিয়াটি জমিদার বাড়ি বাংলাদেশের মানিকগঞ্জ জেলা সদর থেকে আনুমানিক আট কিলোমিটার পশ্চিমে এবং ঢাকা জেলা সদর থেকে পয়ত্রিশ কিলোমিটার দূরে সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি গ্রামে অবস্থিত। মোট সাতটি স্থাপনা নিয়ে এই জমিদার বাড়িটি অবস্থিত। মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটী গ্রামে এই জমিদারবাড়ীর অবস্থান। ঐতিহ্য বুকে ধরে …